ইউক্রেনে আরও ‘ভয়ংকর অস্ত্র’ ব্যবহার করছে রাশিয়া

Slider right সারাবিশ্ব

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন চলছে। রুশ হামলায় ইতিমধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে পুরো ইউক্রেন। এই যুদ্ধে গোলাবর্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রুশ সেনারা।সম্প্রতি রাশিয়া বলছে, দেশটি ইউক্রেনে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।গতকাল ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলের একটি অস্ত্রাগারে এ হামলা চালানো হয়। শনিবার( ১৯ মার্চ) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র তথ্য জানান। খবর বিবিসির।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ বলেন, মস্কো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে পশ্চিম ইউক্রেনের একটি ভূগর্ভস্থ গুদাম ধ্বংস করে দিয়েছে। এসময় তিনি দাবি করেন, ওই গুদামে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘ইউক্রেনের সেনাদের বিমানের গোলাবারুদ’ ছিল।

এর আগে রাশিয়া কখনও যুদ্ধক্ষেত্রে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কথা স্বীকার করেনি। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র একটি দূরপাল্লার অস্ত্র। এর গতি শব্দের চেয়ে অন্তত ৫ গুণ বেশি। এটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে বেশি সময় ধরে শনাক্তকরণ রাডারকে ফাঁকি দিতে পারে। চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো অল্প কয়েকটি দেশের কাছে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে।

রাশিয়ার সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এ হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে কিনজাল ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ২০০০ কিলোমিটারের (১২৪২ মাইল) বেশি দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত এবং যে কোনো আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পরাস্ত করতে পারে।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়ান সৈন্যরা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইউক্রেনে এই হামলা শুরু করে। একসঙ্গে তিন দিক দিয়ে হওয়া এই হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে।