কীসে আটকে আছে ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তি আলোচনা?

Slider right সারাবিশ্ব

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি প্রায় এক মাস ধরে চলতে থাকা যুদ্ধের অবসান টানতে রাশিয়ার সঙ্গে নতুন করে আলোচনা চালিয়ে যেতে চান। এর অংশ হিসেবে তিনি বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার টেবিলে সবকিছুই আসতে পারে। জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে যে কোনো সমঝোতা হতে হবে গণভোটের ভিত্তিতে। মঙ্গলবার আল জাজিরা এ খবর জানায়।

২০১৪ সালে দখলে নেয়া ক্রিমিয়াকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রশ্নে বেশ কয়েকবার আলোচনা করেছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। এ ছাড়া ইউক্রেনের রুশ ভাষাভাষী অধ্যুষিত এলাকা দোনেতস্ক ও লুহানস্কের স্বাধীনতা এবং কিয়েভের ন্যাটোতে যোগ দেয়ার আগ্রহের বিষয়টিও আলোচনার টেবিলে গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে।

এসব আলোচনা থেকে এখনও ফলপ্রসু কিছু আসেনি।

এ পরিস্থিতির মধ্যেই স্থানীয় সময় সোমবার জেলেনস্কি আবারও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আলোচনায় বসতে আহ্বান জানিয়েছেন।

এরইমধ্যে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে হামলা বাড়িয়েছে রাশিয়া। এতে এসব শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ইউক্রেন যে ন্যাটোতে যোগ দেয়ার কোনো পরিকল্পনা করছে না, তার নিশ্চয়তা চায় রাশিয়া। কাতারের দোহাভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি জানায়, রাশিয়ার এ দাবিতে সম্মত হতে পারে কিয়েভ।

প্রেসিডেন্ট পুতিন অভিযোগ করে আসছেন যে, মস্কোকে হুমকির মধ্যে ফেলতে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ব্যবহার করতে চাচ্ছে।

পুতিন বরাবরই ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সে দেশে থাকা রুশ ভাষাভাষী লোকজনের ওপর ‘গণহত্যা’ চালানোর অভিযোগ করে আসছেন। ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর এটাও একটা কারণ হিসেবে উত্থাপন করেছেন তিনি।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু কওে রুশ বাহিনী। এর কয়েকদিন আগেই তিনি দেশটির ভেতরে থাকা দোনেতস্ক ও লোহানস্ককে স্বাধীন প্রজাতন্ত্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

তবে ইউক্রেন বলছে, রুশ ভাষাভাষীদের ওপর গণহত্যা চালানোর যে অভিযোগ পুতিন উত্থাপন করেছেন, তা একেবারেই মিথ্যা।