ইলিশের উৎপাদন ১৬ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা

Slider জাতীয়

ইলিশের স্বাদ, রং, গন্ধ, প্রাকৃতিক বিচরণক্ষেত্র এসব নিয়ে আমাদের গবেষকরা প্রচুর গবেষণা করছেন। আমরা ইলিশকে পুরনো যুগের ইলিশের জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। ইলিশ হবে সমৃদ্ধ ও সুস্বাদু। এর সুগন্ধ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা ও বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। পাশাপাশি ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ৩০ হাজার ইলিশ আহরণকারী জেলে পরিবারকে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উপকরণ সহায়তা প্রদান করা হবে। জেলেদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করা হবে। ইলিশের উৎপাদন ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি করাসহ পদ্মা ও অন্যান্য নদীতে ইলিশের প্রাপ্যতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

গতকাল বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে মত্স্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের কেন্দ্রীয় অবহিতকরণ কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। মত্স্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মত্স্য অধিদপ্তর এ কর্মশালা আয়োজন করে।

মত্স্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের উদ্যোগে অভয়াশ্রম তৈরি ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির কারণে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে। একটা সময় ইলিশ একেবারে বিলুপ্ত হওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল। সবার সহযোগিতায় এখন ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে। অবৈধ মত্স্য আহরণে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। যেসব নদীতে স্বাভাবিকভাবে ইলিশ আসার কথা নয় সেখানেও এখন ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে।

মত্স্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মত্স্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. হেমায়েৎ হুসেন, নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি মো. শফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য ও প্রকল্প নিয়ে উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী।