বাপ্পী লাহিড়ীর সেরা ১০ গান

বিনোদন

প্রায় পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে পাঁচ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন ও সুর দিয়েছেন বাপ্পী লাহিড়ী। সেখান থেকে সেরা ১০ গান নিয়ে এই আয়োজন

চলতে চলতে [১৯৭৬] : ‘চলতে চলতে’ সিনেমার এই টাইটেল ট্র্যাকটির জনপ্রিয়তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে গেছে। বাপ্পীর সুরে গানটির দুটি সংস্করণ আছে ছবিতে। দুটিই গেয়েছিলেন কিশোর কুমার।

আজ রপট জায়ে তো [১৯৮২] : বাপ্পীর সুরে কিশোর কুমার ও আশা ভোঁসলের গাওয়া বৃষ্টির গানটি অন্য রকম আবেদন তৈরি করে। গানটি ‘নমক হালাল’ ছবির।

রাত বাকি [১৯৮২] : ‘নমক হালাল’ ছবির আরেকটি সুপারহিট গান। বাপ্পীর সঙ্গে কণ্ঠ দেন আশা ভোঁসলে। ২০০৭ সালে ‘ইত্তেফাক’ ছবিতে ফের ব্যবহৃত হয় গানটি।

ডিস্কো ড্যান্সার [১৯৮২] : এই গান হিন্দি সিনেমার গানে বড় বদল নিয়ে আসে। সুরকার হিসেবে রাতারাতি খ্যাতির শিখরে পৌঁছেন বাপ্পী। বিজয় বেনেডিক্টের গাওয়া ছবির টাইটেল ট্র্যাক তো বটেই ‘জিমি জিমি আজা আজা’ ও ‘ইয়াদ আ রাহা হ্যায় তেরা পেয়ার’ ভীষণ জনপ্রিয় হয়।

ঝুম ঝুম ঝুম বাবা [১৯৮৪] : সালমা আগার কণ্ঠে এই গান ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল আশির দশকে। গানটি ‘কসম পয়দা করনে ওয়ালে কি’ ছবির।

ইয়ার বিনা চেন কাঁহা রে [১৯৮৫] : ‘সাহেব’ ছবির এই গানে বাপ্পী লাহিড়ীর সঙ্গে কণ্ঠ দেন এস জানকি।

তাম্মা তাম্মা [১৯৯০] : ‘থানেদার’ ছবির গান। বাপ্পীর সঙ্গে গানটি গেয়েছিলেন অনুরাধা পাড়োয়াল। সুরও বাপ্পীর। পরে ২০১৭ সালে ‘বদ্রিনাথ কি দুলহানিয়া’য় গানটি রিমেক করা হয়।

এ আমার গুরু দক্ষিণা [১৯৮৭] : বাপ্পী লাহিড়ীর সুরে কালজয়ী বাংলা গানটি ‘গুরু দক্ষিণা’ ছবির। কণ্ঠ দিয়েছিলেন কিশোর কুমার।

চিরদিনই তুমি যে আমার [১৯৮৭] : আরেকটি কালজয়ী বাংলা গান। ‘অমর সঙ্গী’ ছবিতে এই গানের দুই সংস্করণ গেয়েছেন কিশোর কুমার ও আশা ভোঁসলে। একই বছর এই সুরে হিন্দি ছবি ‘সত্যমেভ জয়তে’তে ‘দিল মে হো তুম’ গেয়েছেন বাপ্পী লাহিড়ী নিজেই।

উ লা লা [২০১১] : এই শতকে সম্ভবত বাপ্পী লাহিড়ীর সবচেয়ে হিট গান। ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ ছবির এই গানে বাপ্পীর সঙ্গে কণ্ঠ দেন শ্রেয়া ঘোষাল।